তিহার জেল থেকে চার্লস শোভরাজের পলায়ন ইতিহাসের সবচেয়ে চতুর জেলব্রেক।
নমস্কার বন্ধুরা। আজ আপনাদের এমন এক অবিশ্বাস্য সত্য ঘটনা শোনাব যা শুনলে কোনো হলিউড বা বলিউড ক্রাইম থ্রিলারের চিত্রনাট্যও নস্যি মনে হবে। কল্পনা করুন একটি দেশের সবচেয়ে সুরক্ষিত জেল—যেখানে রয়েছে সিসিটিভি, সশস্ত্র প্রহরী, আর একের পর এক লোহার দরজা। আর সেই জেলের ভেতর বসেই একজন কয়েদি জেলের সমস্ত রক্ষী এমনকি খোদ জেলারকেও মাদক খাইয়ে অচেতন করে দিল তারপর প্রধান ফটক দিয়ে হেঁটে রাজকীয় কায়দায় পালিয়ে গেল। কোনো দেয়াল টপকানো নয় কোনো সুড়ঙ্গ খোঁড়া নয়—সরাসরি সদর দরজা দিয়ে। হ্যাঁ, আমি কথা বলছি ১৯৮৬ সালের ১৬ই মার্চের সেই কুখ্যাত ঘটনার। স্থান দিল্লির তিহার জেল। আর মূল খলনায়ক। আন্তর্জাতিক অপরাধ দুনিয়ার অন্যতম চতুর, সম্মোহনী শক্তির অধিকারী এবং নিষ্ঠুর সিরিয়াল কিলার—চার্লস শোভরাজ যাকে দুনিয়া চেনে 'দ্য সার্পেন্ট' বা 'সাপ' নামে। আজ আমরা জানবো কীভাবে চার্লস শোভরাজ তিহার জেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসিক জেলব্রেক ঘটিয়েছিল। ঘটনার গভীরে যাওয়ার আগে আমাদের একটু জেনে নেওয়া দরকার এই চার্লস শোভরাজ আসলে কে ছিল। কেন তাকে 'দ্য সার্পেন্ট' বলা হতো। চার্লসে...